১০ জানুয়ারি, ২০১৫, (শেষআলো ডটকম): সৈয়দ আতাউর রহমান (কবির)–
আবার এক নিরার্থক নির্লজ্য ও লজ্জাস্কর কুটনিতীর অশোভন বিতর্কের মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের দুটি
বূহত্তম রানৈতিক দল । অবরুদ্ধ খালেদা জিয়ার খোঁজ-খবর নিতে টেলিফোন করেছেন ভারতের
ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ।
বুধবার রাতে এই টেলিফোন আসে বলে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পেপার স্প্রের কারণে অসুস্থ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার খোঁজ-খবর নিয়ে তার আশু সুস্থতা কামনা করেছেন বিজেপি
প্রেসিডেন্ট। টেলিফোনে দুজনে কুশল বিনিময় করেন বলেও মারুফ কামাল জানান।
এখানে যা প্রকাশ হয়েছে তাতে বলতে পারি পেপার স্প্রের কারণে অসুস্থ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা
জিয়ার খোঁজ-খবর নিয়ে তার আশু সুস্থতা কামনা করেছেন বিজেপি প্রেসিডেন্ট।এর বাহিরে কিন্তু কোন
রাজনৈতিক বক্তব্য ছিলোনা ।ধরে নিলাম, খালেদা জিয়ার খোঁজ-খবর নিতে টেলিফোন করেছেন ভারতের
ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ। এতে কোন পক্ষের হারজিতের কিছুই নাই ।
কিন্তু সরকার সাথে সাথে কেন এতো বেশী রিএকশন করলেন? এটাকে একটা সৌজন্যতা হিসাবে নিলেন
না কেন? বরং মাহবুবুল হক হানিফ সাহেব সাংবাদ সন্মেলনে বলেন, “অমিত শাহ খালেদা জিয়াকে ফোন
করেননি, বরং খালেদার অফিস থেকে অমিত শাহর ফোনে দুবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তার ফোন
নষ্ট থাকায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি।” সরকার কেন ভাবতে পারছে না যে, অমিত
শাহ খালেদা জিয়াকে ফোন করলেও বা কী আর না করলেও বা কী ? কেন সরকার আসলে এতো বেশী
অস্থীর ?
শনিবার রাতে বিজেপি প্রেসিডেন্ট বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আরে ভাই, ম্যায়নে তো
উনহে কল নেহি কিয়া, ইয়ে সব বাকোয়াজ খবর কিউ ছাপতে হ্যায়। (আমি তো উনাকে ফোন করিনি, এসব
ভুয়া খবর কেন আসে)।”
চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও একাত্তর টেলিভিশনকেও অমিত শাহ একই কথা বলেন। এরপর রাতে একটি
বিবৃতি দিয়ে মারুফ কামাল এসব খবরকে ‘বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা’ বলে দাবি করেন।
এর জবাবে বিজেপি প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ নিজে অস্বীকার করলেও তার সঙ্গে খালেদা জিয়ার
টেলিফোন আলোচনা নিয়ে আগের অবস্থানেই রয়েছে বিএনপি।এরপর রাতে একটি বিবৃতি দিয়ে মারুফ
কামাল এসব খবরকে ‘বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা’ বলে দাবি করেন।

সৈয়দ আতাউর রহমান (কবির)
“এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া আমার তথ্য ভুল প্রমাণের অব্যাহত চেষ্টার পটভূমিতে আমি
আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে পুনরুল্লেখ করতে চাই, আমার দেওয়া তথ্য শতকরা একশ ভাগ সঠিক।”
তিনি বলেন“সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতি ও
কূটনৈতিক মারপ্যাঁচের ঊর্ধ্বে থেকে আবার বলছি, শ্রীযুক্ত অমিত শাহর সঙ্গে দেশনেত্রী বেগম
খালেদা জিয়ার টেলিফোন আলাপ আমার উপস্থিতিতেই হয়েছে।”
মারুফ কামাল পাল্টা সন্দেহজনক বক্তব্যে বলেন, “শ্রীযুক্ত অমিত শাহর সঙ্গে সম্পর্কিত
ঘনিষ্ঠদের কাছে আজ আমাদের অনুসন্ধানে এটুকু বেরিয়ে এসেছে যে, বর্তমানে নির্বাচনী
প্রচারাভিযান ও দলের সদস্য সংগ্রহ কাজে গুরুতরভাবে ব্যস্ত বিজেপি প্রধানের পক্ষে ঢাকায় কোনো
সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার প্রদানের কোনো সুযোগ ছিল না।”
https://www.facebook.com/maruf.sohel?fref=ts
তাহলে কোন অমিত শাহ ফোন করলেন ? কোন অমিত শাহ খালেদা জিয়ার স্বাস্থের খোজ খবড় নিলেন?
আর আওয়ামীল সাথে সাথে একটা নন ইস্যুকে জাতীয় ও দলীয় সম্প্রচারেরর মাধ্যমে ঢালাও ভাবে
প্রকাশ করছেন । তাহলে সত্যই কী বিএনপি আবার সরকারী ব্লাকমেইলের খপ্পরে পরেছে ?